Pages

Thursday, April 13, 2017

টোল ব্যবস্থাপনা ক্যাশলেল হলে দুনীতি কমবে ও রেভিনিউ বাড়বে

প্রতিটি টোল প্লাজায় পয়েন্ট অব সেল(পিওএস) মেশিন দিলে কমে যাবে অনেক  দুনীতি ও সেইসাথে বাড়বে রেভিনিউ। আমরা আজকাল আভিজাত্যের কারণে কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করি। আবার ডেভিড/ক্রেডিট কার্ড নিয়ে চলাচল করাটা আমাদের উঁচুমানের জীবন ব্যবস্থা প্রমাণ করে। এখনও ব্যাংকগুলি তাদের ভ্যালুড কাস্টমারদের কার্ড প্রদান করে। একটা ব্যাংক আমার নজরে এসেছে তারা ফাস্ট ট্রাক, এজেন্ট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে ফরমাল ব্যাংকিং এর আওতায় আনছে। তার নাম হল ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড। ডাচ বাংলা ব্যাংক গ্রামের মানুষের হাতে হাতে ডেবিট কার্ড তুলে দিচ্ছে। অন্য ব্যাংকের ক্রেডিট বা ডেভিড কার্ড পেতে সাত দিন লাগলেও এদের ফাস্ট ট্রাক নামক গ্রামের বুথে লাগে ১০ মিনিট। পিন নম্বর ভুলে গেলে আমাকে একটি ব্যাংক দুইবার করে ৩৪৫ টাকা চার্জ করে। অথচ এরা কোন টাকা চার্জ করে না। এভাবে এই ব্যাংক গরীবের জন্য কার্ড রাখাটা অনেক সহজ করে দিয়েছে। এই ব্যাংকটি  গ্রামে গঞ্জে এটিএম কার্ড ছড়িয়ে নেয়ায় আমার মনে এসেছে সরকারী সমস্ত টোল প্লাজাগুলো ক্যাশলেস করা যায়।
প্রথমত: সরকারী ব্যাংক মোবাইল সিম কানেক্টেড প্রয়োজনীয় সংখ্যক পিওএস মেশিন প্রতিটি টোল প্লাজাতে দিবে। একটি একাউন্ট নম্বরে একাধিক পিওএস মেশিন এ্যাসাইন করতে হবে। যেন পাঁচটি বুথ অপারেটর করলে একই একাউন্টে টাকা জমা হয়। এছাড়া একটি রিজার্ভ একাউন্ট রাখতে হবে ও রিজার্ভ পিওএস মেশিন থাকবে যাতে কোন কারণে মুল একাউন্টে গোলযোগ হলে রিজার্ভের মাধ্যমে কাজ করা যায়।
টোল প্লাজায় প্রতিটি বুথে পিওএস মেশিন নিয়ে টোল কালেক্টররা বসবে। তারা প্রতিটি গাড়ীর চালক বা গাড়ীতে আসীন ব্যক্তিদের কাছ টোলের টাকা ডেভিড/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে আদায় করবে। প্রথম দিকে অধিকাংশ চালকের কাছে ডেভিড বা ক্রেডিট কার্ড থাকবে না। যাদের কার্ড নাই তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে তা হল কিছু সংখ্যক দালাল নিয়োগ করতে হবে তারা কার্ডধারী হবে। তারা নিজেদের একাউন্ট থেকে কার্ড সোয়াইপ করে যাদের কার্ড নাই তাদের ক্যাশলেস পেমেন্ট দিয়ে দিবে এবং প্রতি ট্রানজিশানে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫/১০ টাকা সার্ভিস চার্জ নিবে। এতে দেখা যাচ্ছে ১০০ গাড়ীর কার্ড সোয়াইপ করাতে পারলে তাদের ৫০০ টাকা রোজগার হবে। এতে সরকারের টোল আদায় ব্যবস্থাপনা দক্ষ হবে। তার সাথে কিছু লোকের নতুন ধারার সাময়িক কর্মসংস্থান হবে। যারা ইমানদার ও নীতিবান টোল অপারেটর তাদের টাকা পয়সার হিসাব মিলানোর জন্য কোন কষ্ট করতে হবে না। ডিউটি শেষ টাকা জমা করার ঝামেলা নেই। পরের ব্যক্তি দায়িত্ব হস্তান্তর করে সহজেই চলে যেতে পারবে। কত টাকা তুলল আর কত টাকা জমা নিল তা নিয়ে বুথ অপারেটরদের সাথে নিয়ন্ত্রণ কর্তাদের ঝামেলা নেই। নিয়ন্ত্রণ কর্তারা ব্যাংকের কার্ড সোয়াইপের সংখ্যার ব্যাংক স্টেটমেন্টে দেখে কতটি গাড়ী ভিডিও রেকর্ডে প্রমাণ পাচ্ছে তার সাথে ব্যাংক রেকর্ড মিলালেই হবে। ক্যামেরায় রেকর্ডকৃত গাড়ী পাসের সময়ের সাথে পিওএস এর কার্ড সোয়াইপ টাইম মিলিয়ে টোল আদায় সহজে মিলানো যাবে। এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে গাড়ীর আগমন নির্গমন সহজে ইন্টানেটে আইপি ক্যামেরা দ্বারা স্মার্ট ফোনে দেখা যাবে। ব্যাংকের পিওএস হিসাব একাউন্টে কতগুলি ট্রানজিশন হল তার রেকর্ড পাওয়া যাবে। ইচ্ছে করলে একাউন্টধারী নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা প্রতিটি কার্ড সোয়াইপের এসএমএস পাওয়ার অপশনটি নিতে পারেন। নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা যেখানেই থাকুন না কেন মোবাইল নেটওয়ার্কের মধ্যে থাকলে টোল আদায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারবেন। এতে হয়ত দূর্নীতিগ্রস্থ অপারেটর টোল আদায় না করে গাড়ী ছেড়ে দিতে পারে। এটা ব্যাংক ট্রানজিশনের সাথে ভিডিওতে গাড়ী কাউন্ট করেই বের করা যাবে। ক্যাশ হাতে না থাকার কারণে টোল অপারেটরদের ক্যাশ পকেটে নেয়ার অভ্যাসও কমে যাবে।

টোল প্লাজা ক্যাশলেস হয়ে যাচ্ছে প্রাথমিকভাবে কিছু সংখ্যক কার্ডধারী ব্যক্তিবর্গ ও কিছুসংখ্যক কার্ডধারী দালালের মাধ্যমে। প্রথমদিকে কিছু দালাল তৈরি হলেও ধীরে ধীরে দালাল কমে যাবে। কারণ নিয়মিত চালকরা বাৎসরিক ৩৫০ টাকার বিনিময়ে ব্যাংক থেকে কার্ড সংগ্রহ করে নিবে এতে করে তাদের আর কার্ডধারী দালালদের প্রতি ট্রানজিশানে অতিরিক্ত ৫/১০ টাকা দিতে হবেনা। টোলের টাকাটা সরাসরি কার্ড সোয়াইপ করার সাথে সাথে ব্যাংকে জমা হওয়ায় টাকা নিয়ে দুনীতি করা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। সরকারের রাজস্ব আদায় বেড়ে যাবে। কার্ডবিহীন গাড়ী চালক ও ব্যক্তিদের জন্য কার্ডধারী দালাল তৈরি করে সাময়িক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যাবে। ধীরে ধীরে টোল আদায়ে পরিচালনা ব্যয় কমানো যাবে। টোল আদায়ের আলাদা টিকেট না ছাপিয়ে পিওএস মেশিনের পেমেন্ট টিকেট হতে পারে টোল টিকেট। আমরা এভাবে অতি সহজে সরকারী টোল ব্যবস্থাপনাকে ক্যাশলেস করতে পারি। এতে টোল আদায় বাড়বে ও দেশ এগিয়ে যাবেটোল আদায় ব্যবস্থাপনা দুর্নীতিমুক্ত হবে।

Thursday, April 6, 2017

বর্জ্য মুক্ত বাসস্থান হবে পরিবেশ রক্ষায় সবার দায়িত্ব

আমি অনেকদিন থেকে চিন্তা করছিলাম কিভাবে একটি বাসস্থানে অত্যন্ত কম পরিমাণে বর্জ্য উৎপাদন করে থাকা যায়। এখন ধীরে ধীরে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলন জোরদার হচ্ছে। প্রথমে জানার চেষ্টা করি একটি বাসস্থানের কিচেনে ও ডাইনিং টেবিলে কি কি বর্জ্য তৈরি হয়।
১। রান্না ঘরের সবজি ও ফসলের খোসা।
২। মাছ, মাংস কাটাকুটির পর বর্জ্য।
৩। পোড়া তৈল ও রান্না করার পর উৎচ্ছিষ্ট পণ্য।
৪। ডাইনিং টেবিলে খাওয়ার পর উৎছিষ্ট।
উপরের বর্জ্যগুলি আমরা কিভাবে কমাতে পারি। রান্না ঘরের সবজি ও ফলের খোসা আমরা যত কম ফেলব তত কম বর্জ্য তৈরি হবে। কলার ছোলা, নারিকেলের ছোলা ও কমলার ছোলা ইত্যাদি ফেলতে হবে। তাই বলে আপেল ছিলে খাওয়ার প্রয়োজন নেই। ফুল কপির ফুল ছাড়াও পাতা ডাটা সবকিছু রান্নায় নেয়া যায়। আলু চামড়া ছিলে খাওয়ার প্রয়োজন নেই। অন্যান্য শাক কচি/শক্ত বাছ বিচার না করে সম্পূর্ণ রান্নায় নেয়া যায়। খাওয়ার সময় চিবিয়ে ফেলে দিলেই হল। আমি মাঝে মাঝে ক্যাডেট কলেজ থেকে ছুটিতে বাসায় এসে মাকে বলতাম কলেজের বাবুর্চিগুলো সবজিগুলো জাস্ট ধুয়ে কেটে টুকরো করে রান্না করে। আলুর ছোলা, কুমড়োর ছোলা, লাউয়ের ছোলা ইত্যাদি সকল সবজির ছোলাসহ রান্না করা যায় আর তা স্বাস্থ্য সম্মত। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে যখন লিখছি তখন দেখছি এই ব্যবস্থাই পরিবেশ বান্ধব। সবজি কাটাকুটি করে আমাদের গৃহিণীরা ৩০-৪০% বর্জ্য উৎপাদন করে। এটা সহজেই ৫-১০% বর্জ্যে আনা সম্ভব। সবজি কাটাকুটির পর ছোলা ও অন্যান্য যা অবশিষ্ট থাকবে তা প্রায় একমাস ফ্রিজে জমিয়ে রেখে কোন ছুটির দিনে একসাথে করে পানি দিয়ে সিদ্ধ করে ভেজিটেবল স্যুপের জন্য ভেজিটেবল স্টক বানানো সম্ভব। খেয়াল করে দেখুন, আমি এতক্ষণ যা লেকচার ছাড়লাম তা অনুসরণ করে আপনারা ভেজিটেবল ওয়েস্ট কিন্তু অনেক অনেক কমাতে পারবেন। মাছ, মাংস ও ডিম ইত্যাদির বর্জ্য প্রতিদিন না ফেলে পলিথিনে জমিয়ে সাপ্তাহিক বা মাসিক ছুটির দিনে বাইরে কম্পোস্ট পিটে দেয়া যাবে। একইভাবে রান্না খাবার খাওয়ার সময় বিশেষ করে বাচ্চারা কোন খাবার নষ্ট করলে প্রতিদিন না ফেলে ফ্রিজে জমিয়ে রেখে বেশী হলে সাপ্তাহিক বা মাসিক ছুটিতে যেখানে কম্পোস্ট করা হয় সেসমস্ত স্থানে ফেলে আসা যায়। সমস্ত বর্জ্য প্রতিদিন না ফেলে ফ্রিজে রাখার আইডিয়া এজন্য দেয়া হচ্ছে যাতে করে যারা হাই রেইজ দালানে থাকেন নিয়মিত বর্জ্য ফেলা খরচের ব্যাপার ও সময়ের ব্যাপার তারা বর্জ্য ফ্রিজে রেখে দিলে বর্জ্য পচবে না বা গন্ধ হবে না। যখন খুশী তখন ময়লাগুলো ফেলা যাবে।
পোড়া তৈল জমিয়ে রেখে তা একবারে সুনির্দিষ্ট জায়গায় ফেলা যায় বা বায়ো ফুয়েলের  ব্যবহারের জন্য দেয়া যেতে পারে। এতক্ষণের আলোচনায় আমরা রান্না ঘরের ময়লা ফেলার জন্য পরিষ্কার ধারনা পেলাম।
এবার প্যাকিং মেটারিয়েল নিয়ে কি করা যায়? আমরা নতুন সামগ্রী কম কিনলে কম পরিমাণ প্যাকিং সামগ্রী পাব। আমরা প্যাকিং সামগ্রী যাই পাই না কেন তার থেকে প্লাস্টিক আলাদা ও কাগজ আলাদা করে নিতে পারি। বর্জ্য কাগজ আমরা স্রেডিং করে কুচি কুচি করতে পারি। স্রেডিং কাগজ কম্পোস্টে চমৎকারভাবে ব্যবহার করা যাবে। এজন্য বাসায় একটি পেপার শ্রেডার আমরা রাখতে পারি। কাগজ স্রেডিং করে নিলে তা অতি দ্রুত পচে মাটিতে মিশে যাবে। প্লাস্টিকগুলো একসাথে করে যারা রিসাইক্যাল করে তাদের মাসে একবার সরবরাহ করতে পারি। খাদ্য দ্রব্য খোলা বাজার বা চাষি বাজার থেকে ক্রয় করলে রিইউজেবল প্লাস্টিক ব্যাগ, কাপড়ের ব্যাগ বা কাচের কন্টেইনার ব্যবহার করে বাজার থেকে অপ্রয়োজনীয় প্লাস্টিক ঘরে আমদানি করা থেকে আমরা বিরত থাকতে পারি।
স্যানিটারি সামগ্রী যেমন প্যাড, কনডম, ড্রাইপার, ব্যান্ডেজ সিরিঞ্জ ইত্যাদি আমরা ছোট সাইজ ইনসেন্ডারী ডিসপোজাল মেশিন ব্যবহার করে সেসমস্ত গোপনীয় দ্রব্যাদি ময়লার বিনে না ফেলে পুড়িয়ে ফেলতে পারি। এতে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ব্যক্তিগত গোপনীয় সামগ্রী ডিসপোজ করতে আর কোন সমস্যা থাকবে না।
পুরাতন কাপড়, পুরাতন অন্যান্য সামগ্রী অর্থিক চাহিদা সম্পন্ন মানুষকে জমিয়ে রেখে দেয়া যেতে পারে। বিক্রয় করা যেতে পারে। রিসাইক্যালে দেয়া যেতে পারে।
পরিশেষে বলব পরিবেশ রক্ষা করার দায়িত্ব পৌরসভা ও রাষ্ট্রের একার নয়। আমরা যদি ব্যক্তিগত পর্যায়ে প্রতিদিন মাথাপিছু এক কেজি ট্রাশ থেকে কমিয়ে একশ গ্রামে আনতে পারি, তবে চিন্তা করুন এতেই বর্জ্য দশ ভাগের একভাগে কমে যাবে। বর্জ্য যত কমবে রিসাইক্যাল প্রক্রিয়া ততবেশী কার্যকরী করা যাবে। এভাবে আমরা আগামী দিনের জন্য একটি বর্জ্য মুক্ত পৃথিবী গড়ায় অঙ্গীকারবদ্ধ হতে পারি।

Thursday, March 30, 2017

"শূন্য আর্বজনা উৎপাদনকারী” বা “জিরো ওয়েস্ট” আন্দোলন

১৯৮০ সালের দিকে আমরা হিপ্পীদের নাম শুনেছিলাম। এরা অনেকটা বন্য জীবন যাপন করতে চাইত। অনেকটা ফিরিয়ে দাও অরণ্যটাইপ। ২০০৮ সালে ধীরে ধীরে আরেকটা আন্দোলন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। যারা শপথ নিয়েছে পৃথিবীতে ময়লা আর্বজনা কম ফেলবে বা জিরো ওয়েস্ট মুভমেন্ট। ২০১৬ সালে এসে এটা ভাল গত পেয়েছে। উন্নত দেশের মানুষরা প্রতিদিন গড়ে প্রায় এক কেজির কাছাকাছি ময়লা আবর্জনা ফেলে। অনেকে সমষ্টিক হিসাবে আরও বেশী বলতে চান। আমি বছর খানেক আগে আমার একটি লেখনীতে পরিবেশ রক্ষার জন্য তিনটি “আর” এর কথা বলেছিলাম। তা হল, রিডিউস(দ্রব্যাদির ব্যবহার কমানো),রিইউজ(দ্রব্যাদি পুনরায় ব্যবহার) ও রিসাইক্যাল( দ্রব্যাদি মাটিতে না ফেলে অন্য সামগ্রী তৈরি করা)। এখনকার জিরো ওয়েস্ট মুভমেন্টের লোকজন ৫টি “আর” ভিত্তি হিসাবে নিয়েছে। তা নিন্মরুপ:
১। রিফিউজ(পরিবেশ নস্টকারী দ্রব্যাদি ফ্রি দিলেও তা রিফিউজ করা)
২। রিডিউস(দ্রব্যাদির ব্যবহার কমানো)।
৩। রিইউজ(দ্রব্যাদি পুনরায় ব্যবহার)।
৪। রিসাইক্যাল(দ্রব্যাদি মাটিতে না ফেলে অন্য সামগ্রী তৈরি করা)।
৫। রট(অপ্রয়োজনীয় পচনশীল দ্রব্য পচিয়ে কম্পোস্ট তৈরি করে মাটিতে ফেলা)।
জিরো ওয়েস্ট মুভমেন্ট প্লাস্টিক আসার আগে কখনো কারো চিন্তায় আসেনি। প্লাস্টিকের মাধ্যমে ভয়াবহ রকম পরিবেশ দূষণ পৃথিবীর অনেক মানুষকে সচেতন করেছে। তারা পৃথিবীর ভবিষ্যৎ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে চিন্তিত ও শঙ্কিত। এই শংকা থেকে তারা কেবলমাত্র প্লাস্টিকের আগে আমরা যেভাবে চলতাম সেই জীবন ব্যবস্থায় ফিরে যাচ্ছে।‌ এ যুগে এধরনের কার্যক্রম অত্যন্ত কঠিন একটি সাধনা ও তপস্যা। প্লাস্টিক ক্যানসারের জন্য দায়ী এ ধারনায় স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিরা প্লাস্টিক বর্জন করে জিরো ওয়েস্টের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। গুগলে জিরো ওয়েস্ট ইংরেজিতে লিখে সার্চ দিলে অনেক ব্লগ ও ভিডিও পাওয়া যাবে যা থেকে আমরা এ বিষয়ে জানতে পারব। ধীরে ধীরে জিরো ওয়েস্ট পার্টির জন্য বিশেষ মার্কেট, বিশেষ ব্যবস্থা ও কমিউনিটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে।
জিরো ওয়েস্ট আন্দোলনের অনেকে আছে যারা রিইউজেবল প্লাস্টিক ব্যবহার করে। অনেকে আছে একদমই প্লাস্টিক ব্যবহার করে না। এরা আরও কট্টরপন্থী। অনেকে আছে অর্গানিক ফসল ছাড়া ক্যামিক্যাল যুক্ত শস্য, সবজি বা ফল খায় না।

এখন আসি এদের জীবন ধারা কেমন। আমরা প্লাস্টিক যুগের আগে যে জীবন ধারায় ছিলাম তারা একই জীবন ধারা মেনে চলছে।
১। তারা বাজারে যাচ্ছে ছোট, বড় বেশ কিছু কাপড়ের ব্যাগ নিয়ে। এরা সমস্ত দ্রব্যাদি প্লাস্টিকের ব্যাগের পরিবর্তে নিজেদের কাপড়ের ব্যাগে তুলে নিচ্ছে। যেসব দ্রব্যাদি তরল তার জন্য কিছু কাচের বোতল বা বৈয়াম বহন করছে তাতে করে তরল দ্রব্যাদি ক্রয় করছে।
২। স্যানিটারি সামগ্রী সাবান, টুথপেস্ট, লোশন, শ্যাম্পু নিজেরাই অর্গানিক সামগ্রী দিয়ে তৈরি করে কাচের কন্টেইনারে রাখছে। বাঁশের তৈরি টুথব্রাশ ব্যবহার করছে। কাপড়ের তৈরি স্যানিটারি প্যাড ব্যবহার করছে। নিজে বাসায় সাবান, শ্যাম্পু, লোশন ও টুথপেস্ট তৈরি করার রেসিপি জিরো ওয়েস্ট পার্টির ব্লগ ও ইউটিউবে আছে।
৩। এরা রিইউজের মূলনীতি মেনে পুরাতন কাপড় ব্যবহার করছে। এরা খুবই কম সংখ্যক কাপড় ব্যবহার করে। কাপড় ছিঁড়ে গেলেও রিডিউস মূলনীতির জন্য সেলাই করে বার বার পড়তে থাকে। এদের প্রত্যেকের কাপড়, জুতা ও অন্যান্য সামগ্রী এত কম থাকে যে তারা যে কোন সময় যে কোন স্থানে দ্রুত বের হতে পারে। কম কাপড় ও বিলাসী সামগ্রী না থাকার কারণে এদের রক্ষণাবেক্ষণ সময় কম ব্যয় করতে হয় এরা অনেক সময় পায়। এর অনেক বেড়ায় ও অগানির্ক বাগান করার অনেক সময় পায়। এরা পুরাতন ও অল্প সংখ্যক কাপড় নিয়ে এদের অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ পদে সরকারী ও বেসরকারি কাজ করে যাচ্ছে। কাপড় পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে পুনরায় পুরাতন মার্কেটে বিক্রি করে অন্য একটি পুরাতন কাপড় কিনে নেয়।
৪। এরা খুব হিসাব করে বাজার করে যেন কোন কিছু অপচয় না হয়। প্লাস্টিকের বদলে এরা ফ্রিজে সবজি কাচের কনটেইনারে বা কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে রাখে। সবজি ও ফল একদম প্রয়োজন না হলে খোসা ছাড়ায় না খোসাসহ এরা রান্না করে বা খেয়ে ফেলে। এতে এদের রান্না ঘরে খুব কম বর্জ্য হয়। যাদের বাগান আছে তারা রান্নার বর্জ্য বাগানে কম্পোস্ট বিন রেখে তাতে কম্পোস্ট করে ফেলে। যাদের বাগান নেই তারা রান্না ঘরের বর্জ্য ডীপ ফ্রিজে স্টিলের কনটেইনারে জমায় যাতে ঘরের মধ্যে পচে না যায় ও গণ্ধ না হয় প্রতিদিন ময়লা ফেলানোর চেয়ে ফ্রিজে জমিয়ে সাপ্তাহিক ভাবে ফেনানোটা কম পরিশ্রমের। তারা তাদের ফ্রিজে জমানো ময়লাগুলি সাপ্তাহিক ভাবে যেদিন চাষি বাজারে বাজার বাজার করতে যায় সেদিন সেখানকার কম্পোস্ট বিনে বা প্রতিবেশীর কম্পোস্ট বিনে ফেলে আসে।
৫। এরা বর্জ্য কমানোর জন্য বড় কাগজ কিনে আমাদের আগের আমলের মতো খাতা তৈরি করে। এরা সন্তানদের ক্যালকুলেটর পুরাতন কিনে। অর্থাৎ এরা সবই পুরাতন সামগ্রী কিনে রিইউজ ফরমুলা মানতে।
৬। এরা সমস্ত খাদ্য সামগ্রী কাচের জারে স্টোর করে।
খাবার ও অন্যান্য সামগ্রী প্যাকেজিং এ সাধারণত গড়ে ১৫% টাকা কোম্পানিগুলো খরচ করে। এ টাকাটা সম্পূর্ণ ভাবে আর্বজনা হিসাবে চলে যায়। জিরো ওয়েস্ট পার্টি মনে করে বিকল্প ব্যবস্থা থাকতে খামোখা বর্জ্য হিসাবে ১৫% টাকা খরচের কোন প্রয়োজন নেই।

জিরো ওয়েস্ট পার্টি অন্যান্য সাধারণ মানুষ থেকে প্রায় ৪০% কম টাকায় জীবন ধারণ করতে পারে। এটার জন্য খুব যে কষ্ট করতে হবে তা নয়। কেবল জীবন যাপনের প্রক্রিয়াটা বদলাতে হবে। এ টাকায় চলার কারণে এদের ধার কর্জ করতে হয় না। তাদের বড় একটা সেভিং হয়। যার দ্বারা তারা অন্যদের চেয়ে বেশী পরিমাণে বিদেশ ঘুরতে পারে। পরিবেশ বান্ধব সোলার বিদ্যুৎ সিস্টেম ক্রয় করে নিজেদের ব্যবহারের সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ সোলার হতে নিতে পারে। ব্যাটারি চালিত ও সৌরশক্তির চার্জে চালিত পরিবেশ বান্ধব উন্নত গাড়ী ক্রয় করতে পারে। ইত্যাদি আরও অনেক কাজে তাদের সাশ্রয়ের টাকা খরচ করতে পারে। আমরা অনেকেই পলিথিন ও অন্যান্য ব্যাগগুলি পুনরায় ব্যবহার করছি। আমরা ধীরে ধীরে আরও সচেতন হলে জিরো ওয়েস্ট না পারি অন্তত রিডিউস ওয়েস্টে যেতে পারি। এতে আমাদের পরিবেশ রক্ষা হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছুটা কর্তব্য পালন করা হবে। এই জিরো ওয়েস্ট পার্টির পঞ্চম স্তম্ভ অনুসরণ করলে আমাদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষা হবে এবং আর্থিকভাবে আমরা লাভবান হব। এছাড়াও মিতব্যয়ীতা ধর্মীয় কাজেরও গুরুত্বপূর্ণ অনুশাসন।

Thursday, March 23, 2017

নগদ লেনদেন বিহীন ক্যাশলেস ক্যান্টনমেন্ট

২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে ডিপুটেশন থেকে আমি সেনানিবাসের জীবন অন্য সংস্থায় কাটাচ্ছি দেশের মফ:স্বল শহরগুলোতে দীর্ঘদিন আছি গত কয়েক বছরে ছোট শহরে থেকেও আমি ক্যাশলেস হয়ে গেছি ২০১৭ সালের মার্চ মাসে আমার ক্যাশলেস বিষয়ে  পর্যবেক্ষণ গুলো আলোচনা করছি
প্রথমত: কুষ্টিয়া শহরের সমৃদ্ধশালী কাপড়ের দোকানগুলো প্রত্যেকটি দোকানেই ক্রেডিট /ডেভিড কার্ড দিয়ে কেনা কাটা করা যাচ্ছে পুনাক নামক পুলিশের একটি ডিপার্টমেন্টাল দোকান থেকে সবকিছু কার্ডে কেনাকাটা করা যাচ্ছে লোটো দোকান থেকে ছেলেদের কাপড়, জুতা আন্ডার গার্মেন্টস সবই কার্ডে মূল্য পরিশোধ করা যাচ্ছে খেয়া নামক থ্রি স্টার ক্যাটাগরির রেস্টুরেন্ট কাম হোটেলেও কার্ড ব্যবহার করা যাচ্ছে গত দুই বছরে আমি কুষ্টিয়া শহরে নগদে কেনাকাটা করেছি কিনা তা আমার মনে পড়ছে না অন্যান্য আভ্যন্তরীণ রেস্ট হাউজ ক্যান্টিনে মাস শেষে ক্রস চেক দিয়ে বিল পরিশোধ করছি
আমি অনেক বছর পর বেসামরিক পরিবেশ থেকে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের পরিবেশে গিয়ে একটা বড় ধাক্কা খেলাম সেটা হল বেসামরিক পরিমণ্ডলে ক্যাশলেস হতে পারলেও ক্যান্টনমেন্টে ক্যাশলেস হতে পারলাম না এখন ব্র্যাক ব্যাংক ডাচ বাংলা ব্যাংক লি(ডিবিবিএল) উঠে পড়ে লেগেছে সারা বাংলাদেশ ক্যাশলেস বানানোর জন্য কুষ্টিয়ার বড় বড় দোকানগুলোতে পিওএস মেশিন দিয়েছে ডিবিবিএল নামের ব্যাংকটি ফলে শহরের চাকুরীজীবী শিক্ষিত তাদের জন্য ক্যাশলেস অনুশীলন বেশ ভাল হয়েছে গত চার বছরে একটা রোগ আমার হয়েছে তা হল টাকা ধরতে অনাগ্রহটা এই রোগ আমার পুরো ফ্যামিলিকে পেয়েছে কারণ অপরিষ্কার টাকা ধরতে চাই না
কিন্তু ২০১৭ সালের মার্চ ১২ হতে ১৫ তারিখ কুমিল্লা সেনানিবাসে বেড়ানোর সময়টায় আমাকে সিএসডি ব্যতীত সব জায়গায় কেনাকাটা করতে হয়েছে নগদ টাকায় আমাকে ময়লা টাকা ধরতে হয়েছে বিষয়টা দু:খজনক সুন্দর সাজানো গুছানো দোকান অথচ কার্ড পেমেন্টের ব্যবস্থা নেই আমি নিশ্চিত ক্যান্টনমেন্ট এলাকা বলে ট্রাস্ট ব্যাংক ব্যতীত অন্যান্য ব্যাংক পিওএস মেশিন নিয়ে ঢুকতে পারেনি অন্যথায় বেসামরিক এলাকার থেকে অধিক উপযোগী সেনানিবাসের মত সুন্দর সুশৃঙ্খল এলাকা পেলে অনেক ব্যাংকই কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করার সিস্টেম চালু করে দিত কার্ড দিয়ে কেনা কাটায় ব্যাংকের সবচেয়ে লাভজনক বিষয় হল টাকাটা তাৎক্ষনিক সেই ব্যাংকের একাউন্টে জমা হচ্ছে
সেনানিবাসের একটি রেস্টুরেন্টে পিওএস মেশিন রেখেছে তাতে আবার % অতিরিক্ত চার্জ দিতে হয় % অতিরিক্ত চার্জ ধরা মানে হল ক্যাশলেস হওয়াকে নিরুৎসাহিত করা ক্যান্টনমেন্টে যারা থাকেন তারা হয়ত ক্যান্টিন চিট বাকীতে চলেন বলে মাসের প্রথমে অপরিষ্কার টাকাগুলো একবার ধরলেই কাজ শেষ হয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন নাড়াচাড়া করতে হচ্ছে না কিন্তু আমার মত ভিজিটরদের জন্য এটিএম থেকে টাকা তুলে ক্যাশলেসের বদলে ক্যাশফুল হতে হয়
বাংলাদেশের বেশীরভাগ সৈনিকের বেতন এখন ট্রাস্ট ব্যাংকের সৈনিকদের নিজেদের একাউন্টে জমা হচ্ছে ক্যান্টেনমেন্টের মোড়ে মোড়ে ট্রাস্ট ব্যাংকের এটিএম সেখান থেকে সৈনিকরা টাকা তুলে নিচ্ছে তাদের কাছে ডেভিড কার্ড আছে সকল সৈনিকদের সহজেই ক্যাশলেস বা লেস ক্যাশ করা যায় সৈনিকরা এটিএম কার্ড ব্যবহার করে সিএসডি থেকে কেনা কাটা করছে সৈনিকরা ক্যাশলেস হওয়ার সমস্ত উপকরণে এগিয়ে আছে এখন প্রয়োজন তাদেরকে আর একটু সহযোগিতা করা তবে আমার মনে হয় ট্রাস্ট ব্যাংক বিনে খরচে পিওএস মেশিন সেনানিবাসে চালু করতে পারে কারণ সৈনিক সবাইকে কার্ড দেয়া আছে তাদের সন্তানদের ট্রাস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে পড়ুয়া একাউন্ট খুলে দিয়ে কার্ড দেয়া হচ্ছে তাদের স্ত্রীদের স্বামীর একাউন্টের সাথে এ্যাড অন কার্ড দেয়া যাচ্ছে এতে সৈনিক পরিবারের কাউকে আর ক্যাশ নিয়ে যেতে হল না
লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে এটিএম স্থাপন করার বদলে হাজার টাকা খরচ করে কিছু পিওএস মেশিন ক্রয় করে তা সেনানিবাসের দোকানে ক্যান্টিনে দিলে সৈনিকের টাকা ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে এটিএম এর মাধ্যমে নগদে বের না হয়ে পিওএস মাধ্যমে এর ট্রাস্ট ব্যাংকেরই অপর একাউন্টে টাকা জমা হত ব্যাংকের টাকা ব্যাংকেই থাকত ধীরে ধীরে নতুন এটিএম সেনানিবাসে স্থাপন না করে সেনানিবাসের বাইরে ট্রাস্ট ব্যাংক তাদের এটিএম বাড়াতে পারত ডিবিবিএল প্রতি উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ে তাদের এটিএম ফাস্ট ট্রাক বাড়িয়ে চলেছে জেলা কোটা ভিত্তিক সৈনিক ভর্তির কারণে দেশের সকল প্রান্তে সেনাবাহিনীর সৈনিক রয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক যদি ডিবিবিএল এর মত দেশের সমস্ত উপজেলা ইউনিয়নে ফাস্ট ট্রাক বা এজেন্ট ব্যাংকিং স্থাপন করতে পারলে দেশব্যাপী সাধারণ বা পেনশন ধারী সৈনিকেরা অনেক বেশী উপকৃত হত এই সকল ফাস্ট ট্র্যাক বা এজেন্ট ব্যাংকিঙে ডিবিবিএল এর মত ট্রাস্ট ব্যাংক স্থানীয় অবসর প্রাপ্ত সৈনিকদের চাকুরী দিতে পারত
সেনানিবাসের সমস্ত দোকান পাট সামরিক বেসামরিক ভাবে পরিচালিত হোক না কেন সমস্ত দোকানে পিওএস মেশিন দেয়া যেতে পারে সৈনিকরা যারা ক্যান্টিন পরিচালনা করে তারা কার্ডের মাধ্যমে বা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে মালামাল বিক্রির পেমেন্ট নিবে পুনরায় যখন তারা ক্যান্টিনের মালামাল বাহির হতে ক্রয় করবে তা তারা চেকের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করবে কার্ড দিয়ে কেনা বেচার লাভ হল সকল কেনাবেচা টাকার পরিশোধ ট্রেসেবল হবে যেকোনো লেনদেনে অটোমেটিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেকর্ড থাকছে তাতে দুনীতি কমে যায় সেনানিবাসের সকল দোকান ক্যান্টিন ক্যাশলেস করা গেলে টাকা আত্মসাৎ অনিয়মের দুই একটি ঘটনা মাঝে মাঝে  ঘটে তাও নির্মূল হবে একটি ডিভিশনে যদি ১০,০০০ সৈনিক থাকে আর তারা যদি গড়ে মাসে ২০,০০০ টাকা লেনদেন করে তবে মাসে ২০ কোটি টাকার লেনদেন হবে বাংলাদেশে ডিবিবিএল এর মত কিছু ব্যাংকে যদি বলা হয় মাসিক ২০ কোটি টাকা আপনাদের ব্যাংক একাউন্টে প্রতি মাসে আসবে আপনারা শুধু বিনে পয়সায় ২০০ টি পিওএস মেশিন সরবরাহ করবেন আমি নিশ্চিত অনেক ব্যাংক এগিয়ে আসবে এই সুযোগটি নিতে এতে কার্ড পাঞ্চ করলে % বেশী দিতে হবে আর নগদ দিলে কম এরূপ অবস্থায় যেতে হবে না সেনানিবাসের দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণ টিকিট বিক্রি করে সৈনিক টাকা নিবে ক্যান্টিনের মালামাল নগদে টাকা নিয়ে বিক্রি করবে এটা দৃষ্টিকটু তার চেয়ে কার্ড সোয়াইপ করে বিক্রয় অনেক বেশী শোভনীয়

পৃথিবী ডিজিটাল প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে গেছে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা সকল সদস্যদের সততার পথে আনতে পারি সেনানিবাস একটা সুশৃঙ্খল এলাকা বলে একে সবার আগে ক্যাশলেস করা যায় ক্যাশলেস সমাজ ব্যবস্থা একটি স্বচ্ছ সামাজিক ব্যবস্থা আমরা যেকোনো একটি সেনানিবাসকে ক্যাশলেস বা লেস ক্যাশ করতে পারলে বাংলাদেশও একসময় পৃথিবীর অন্যান্য ক্যাশলেস দুনীতি মুক্ত দেশগুলোর পদাঙ্ক অনুসরণ করতে পারবে